আমার বিয়ে কবে হবে? বন্ধু মহলে অথবা আড্ডায় হোক,গভীর রাত্রে নিঃশব্দে ভাবনা হোক বা কারো প্রতি টান অনুভাব করার পর এই প্রশ্নটি যেন মাথার ভিতর থেকে বের হতেই চাইনা। শুধু মনের মধ্যে একটাই প্রশ্ন আমার বিয়ে কখন হবে। আপনার বিয়ে হচ্ছেনা চিন্তা করছেন, আর কোন চিন্তা নয়, আমি আপনাকে দ্রুত বিয়ের আমল এই পোষ্টের মাধ্ম্য জানিয়ে দেবে যার মাধ্যমে আপনার বিয়ে খুব তাড়া তাড়ী হতে পারে।
বিয়ে শুধু সামাজিক বন্ধন নয়,স্বপ্ন ,ভালবাসা এবং ভবিষৎ গড়ার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশার জায়গা। এই প্রত্যাশা কখন পূরন হবে তা সঠিক ভাবে বলা সম্ভব নয়।কারন অদৃশ বিষয় শুধু আল্লাহপাক জানেন।তবে চেষ্টা করে যান দেখবেন হঠাৎ করে আপনা বিয়ের সানাই বেজে উঠবি ইনিশাল্লাহ।
আল কোরানে কার বিয়ে কখন হবে এই ধরনের কোন প্রকার ভবিষ্যত বাণী নাই ।পবিত্র
কোরান স্পষ্টভাবে কার ব্যাক্তিগত ভবিষ্যতের কথা বলে নাই ।তবে
তকদির,সিদ্ধান্ত গ্রহন,দোয়া ও উপযুক্ত সাথীর বিষয়ে কোরানে কিছু নীতিমালা
আছে।প্রবিত্র কোরানে বিবাহকে উৎসাহিত করা হয়েছে, আল্লাহ পাক পবিত্র কোরনে বলেন
"তোমাদের মধ্যে যার অবিবাহিত আছ,তাদের বিয়ে দিয়ে দাও"( সুরা আন-নুর,২৪ঃ৩২) এই
সুরায় আমরা বুঝতে পারি বিবাহ হল একটি উত্তম ও বরকতময় কাজ।
আমার বিয়ে কবে হবে ? আমিতো বেকার বিয়ে করে স্ত্রীকে কি খাওয়াব।পবিত্র
কোরানে বলা হয়েছে রিজিকের মালিক আল্লাহ তিনি এই মুখলুকাতের রিজিকের দায়িত্ব
নিয়েছেন। আল্লাহ পাক কোরানে বলেন "তারা দরিদ্র হলে আল্লাহ তাদের নিজ অনুগ্রহে
সমৃদ্ধ করেন" (সুরা আন নিসা,২৪৩২)অর্থাৎ আল্লাহ রিজিকের দায়িত্ব নেন এবং বিয়ের
সঠিক সময় তাঁর নির্ধারিত ।
ভবিষ্যতের অদৃশ্য বিষয় তা কেউ জানেনা"অদৃশ্য জ্ঞান একমাত্র আল্লহর কাছে"(সুরা
আন-আম,৬ঃ৫৯) আপনার বিয়ে কখন হবে তা কোন জ্যোতিষি,জন্ম তারিখ,জন্ম স্থান তালিস
ইত্যাদি নির্ধারন করতে পারে না ।পবিত্র কো্রান সৎ ও ধর্মিয় নারী / পুরুষ বেছে
নিতে নির্দেশ করেছেন।পবিত্র কোরানে বলা হয়েছে " সৎ নারীরা সৎপুরুষের জন্য"তুমি যদি
চরিত্র বান হও তাহলে তুমি সৎ চরিত্রবান সংজ্ঞী পাবে।
পবিত্র কোরানে আমরা যে শিক্ষা পেলাম তা থেকে বুঝতে পারলাম আমার/আপনার বিয়ে কখন
হবে তা আল্লাহপাক জানেন।আমাদের বিয়ে তো একদিন হবেই সেই জন্য নিজে্র চরিত্র,আচার
ইমান উন্নত করতে হবে ।আর্থাৎ আপনি যত ভাল হবেন আপনার জোড়া তত ভাল হবে।শেষ কথা বলা
যায় আপনার তকদির তো বিয়ে আছেই তার সাথে সাথ আপনাকে চেষ্টা করতে হবে।
কোরান ও হাদীস অনুসারে বিয়ের আমলঃ
আমার বিয়ে কবে হবে এই বিষয়ে চিন্তা না করে আপনি কোরান ও হাদিস মতে কিছু আমল
করতে পারেন।নিম্নের আমল গুলো নিয়মিত করলে আতি সহজে আপনার বিয়ে হতে পারে ।
আপনি প্রতি নামাজের পর "ইয়া লতিফ" এর অর্থ হচ্ছে - হে দয়ালু ও কোমল্ভাবে সব কিছু
পরিচালনাকারী।আল্লাহর "ইয়া লতিফ" নামে দোয়া করলে জীবনের জটিলতা সহজ হয়।অনেকের এই
আমলের মাধ্যমে দ্রুত বিয়ে হয়েছে এর ধরনের প্রমান আছে।
ফজরের নামাজের পর ১ বার সুরা ইয়াসিন পড়ে দোয়া করুন এবং ব্লুন হে আল্লাহ
আমার বিয়ের উত্তম ব্যবস্থা করে দিন
সুরা আল কাসাস, প্রতিদিন তিন বার পড়েন এবং দোয়া করুন "হে আল্লাহ আমার জন্য নেক
জীবনসঙ্গী নির্ধারন করুন"। নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজের পর আল্লাহ নিকটি দোয়া করুন
।হারাম থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখুন । যে ব্যাক্তি আল্লাহ ভয়ে কিছু ছাড়ে , আল্লাহ
তার চেয়ে উত্তম কিছু করে দেন '। বিয়ের ব্যাপারে বাবা মায়ের দোয়া তাড়াতাড়ি কবুল হয়।
(ক) তাকওয়া ও তাওহীদের প্রতি স্থির থাকা । আল্লাহপাক পবিত্র কোরানে বলেন "যে
আল্লাহকে ভয় করে,আল্লাহ তার জন্য উত্তরনের পথ করে দেন,এবং তাকে এমন জায়গা
থেকে রিজিক দেন যা সে কল্পনা করতে পারে না"।
(খ) দোয়া করে বিয়ে সহজ করার জন্য সাধারন দোয়া" রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া
মিন খাইরিন ফাকির"। হযরত মুসা (আ)এর দোয়া- সূরা কাসাস ২৪)
বিয়ের সময় কিছু সূন্নাতি আমল আছে যেমন, খুতবা দেয়া। আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ)
নিকাহের সময় খুতবাতুল হাজাহ পাঠ করতেন ।
খুতবাতুল হাজাহ হচ্ছে নিম্ন লিখিত সূরার কিছু আংশ-
সূরা আন নিসা-১
সূরা আলে ইমরান- ১০২
সূরা আহযাব-৭০-৭১
মোহর নির্ধারন - হাদিসে মোহরকে বরকত ময় বলা হয়েছে। বর ও কনের জন্য দোয়া। হাদিসে
আছে বর / কনেকে দেখার সময় নিম্নের দোয়া পাঠ করিতে হয় "আল্লাহুম্মা ইন্নি আসালুকা
মিন খাইরিন" ।দাম্পত্য জীবন শুরতে রা (সাঃ) বর কনেকে উদ্দেশ্য করে বলেন--"
বারাকাল্লাহু লাকা ওয়া বারাকা ওয়া জামা বাইনাকুমা ফি খাইর"।যার অর্থ হচছে" আল্লাহ
তোমার মধ্যে বরকত দান করুন,তোমার উপর বরকত বর্ষন করুন এবং তোমাদের দ্বয়ের মধ্যে
কল্যান যুক্ত করুন।
ইসলামী শরীয়া আনুযায়ী বৈধ বিয়েঃ
ইসলামি শরীয়া অনুযায়ী একটি বৈধ বিয়েতে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো অবশ্যই প্রয়োজন-
বিয়ের ক্ষেত্রে বর/ কনে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাব স্পষ্ট হতে
হবে এবং তা গ্রহন করতে হবে ।
দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিম স্বাক্ষী হতে হবে ।অথবা একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা
স্বাক্ষী হতে হবে।
নারীর বিয়েতে ইসলামে অভিভাবক এর উপস্থিত বা অনুমতি অবশ্যই প্রয়োজন তবে হানাফি
মাযহাবে অভিভাবকের উপস্থিত কিছুটা ভিন্ন, আলেমের মতে অভিভাবক থাকাটা অধিক নিরাপদ
।
ইসলামী শরীয়া অনুযায়ি বর, কনেকে মহর প্রদান করা ব্যাধতামুলক বা ফরজ ।তবে মহরনার
ক্ষেত্রে উভয়ের ইছামত কম বা বেশী হতে পারে ।বিয়েতে বর / কনে উভয় পক্ষের সম্মতি
প্রয়োজন জোর করে বিয়ে বৈধ নয় ।বিয়ের ক্ষেত্রে দুপক্ষের সম্মতিতে পূর্ন স্বচ্ছ ও
স্বাধীনতা থাকতে হবে।
বিয়ের পর তা কখন গোপন রাখা যাবে না।স্বাক্ষীদের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে ।নবী
করিম "সাঃ"গোপন বিয়ে নিষেধ করেছেন।
নিম্নের বিষয় গুল থাকলে বিয়ে বৈধ হবে না।
যেমন-বিবাহের সময় কোন শর্তে হারাম কাজ আরোপ করা। ইদ্দতে থাকা নারীকে কখন বিয়ে করা
যাবে না ।মাহরাম নারীকে বিয়ে বৈধ হবেনা ।বিয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই দুজন স্বাক্ষী
থাকতে হবে। কোন প্রকার সম্মতি ছাড়া জোর পূর্বক বিয়ে দেয়া যাবেনা ।
ইসলামী শরিয়া অনুযায়ি বিয়ের বয়স ঃ
ইসলামী শরিয়া অনুযায়ি বিয়ের কোন নিদির্ষ্ট বয়স নাই। বিয়ের ক্ষেত্রে দুটি শর্ত
বিবেচনা করা হয় ।
১। বালেগ হওয়া - ইসলামী শরিয়া বিয়ের উপযুক্ত সময় বলতে বালেগ হওয়াকে বুঝায় ।
ছেলে বা মেয়ে উভয়ের শারিরিকভাবে ও মানসিকভাবে বালেগ হওয়া জরুরী।
আবার কোন কোন ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৫ বৎসরের মধ্যে বিয়ে হয়ে যায় আবার কার ক্ষেত্রে
কিছুটা দেরিতে হয় ।
২।রুসদ বা পরিপক্কতা- মুসলিম সমাজে বিয়ের কোন নিদির্ষ্ট বয়স না থাকলেই মানসিক ও
আর্থিক পরিপক্কতা না থাকলে বিয়ে করা ঠিক নয়।কোরান ও হাদিসের ক্ষেত্রে রুশদকে খুবই
গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের আইনে বিয়ের যোগ্যতাঃ
আমার বিয়ে কবে হবে এই চিন্তা না করে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আপনার বিয়ের বয়স হয়েছ
কিনা তা দেখে নিন ।
০১। আইনগত- বাংলাদেশের আইন অনুসারে ১৮ বৎসরের ছেলে/মেয়েকে শিশু হিসাব সংজ্ঞায়িত
কর হয়েছে ।মূলকথা যিনি এখন ১৮ বৎসর পূর্ন করেনি আইনগত ভাবে সে এখন শিশু ।
০২।বিয়ের বয়স - বাংলাদেশের আইনে বলা হয়েছে যে, বিশেষ পরিস্থিতে বিয়ে করা
যাবে। বিশেষ পরিস্থিতে আদালত ও অভিভাবকের অনুমোদন থাকতে হিবে । তবে এই বিশেষ
পরিস্থিতি কি তা স্পষ্টভাবে বর্ননা করা হয়নি ।
০৩। দন্ড বিধান-
নিদির্ষ্টি বয়সের আগে বিয়ে করলে বাংলাদেশের আইনে দন্ডিত হতে হবে।তবে দন্ডিত হবার
বিধান থাকলেই অনেক সময় এই আইন সামাজিক ও পারিপার্সিক কারনে মেনে চলা কঠিন হয়ে যায়
।
০৪। প্রয়োগ ও চ্যালেঞ্জ- নিদির্ষ্ট সময় সিমার মধ্যে বিয়ের আইন থাকলেই বাস্তবতায়
এই সমাজে ব্যাল বিবাহ হয়ে থাকে।তবে বিশেষ পরিস্থিতির ধারা নিয়ে মানবাধিকার গোষ্টি
উদ্যেগ প্রকেশ করছে ।
জ্যোতিশাস্ত্র অনুসারে আমার বিয়ে কবে হবেঃ
জ্যোতিশাস্ত্র ব্যাক্তিগত ভাবে আপনার বিয়ে কখন হবে তা নির্ভর করে আপনার
জন্মস্থানছক অনুসারে।জন্মসময় জন্মের তারিখ ও জন্মস্থান ছাড়া সঠিক ভাবে বলা
যাইনা আপনার বিয়ে কবে হবে। তবে জ্যোতিশাস্ত্রে অনুসার আপনার বিয়ের দিন
কিভাবে নির্ধারিত হয় তা আপনাকে সাধারনভাবে বুঝিয়ে দিতে পারি ।জ্যোতিশাস্ত্রে
বিয়ের দিন নির্ধারিত হয় নিম্নের সূত্র অনুসারে ।
সপ্তম ঘর আনুযায়ী আমার বিয়ে ঃ
সপ্তম ঘরকে বলা হয় "কালপাত্র ভাব" এটি জ্যোতিষশাস্ত্রের সপ্তম ঘরের আরেক নাম।এটি
বৈদিক জ্যোতিষের একটি অংশ।
কালপাত্র শব্দের অর্থ -- জীবনসঙ্গী
ভাব শব্দের অর্থ---ঘর বা হাউস
সুতরাং কালপ্ত্রভাব= জীবনসঙ্গী
কালপাত্র ঘর নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিদিষ্ট করে -
শুক্র - প্রেমসৈোন্দর্য,সুখী বিবাহ
বৃহস্পতিবি--শুভ শান্তিপূর্ণ দাম্পত্য
মঙ্গল-- মাঙ্গলিক দোষ, উত্তেজনা
শনি -- দেরিতে বিয়ে
রাহু/কেতু--অস্বাভাবিক বা বিদেশসংক্রান্ত বিবাহ
আবার কিছু দোষ বিয়েতে বাধা সৃষ্টি করে,যেমন--
মাঙ্গলীক দোষ-- মাঙ্গলের অশুভ দোষের অবস্থান
শনি দোষ -- শনির দোষ বলতে বুঝায় অশুভ দৃষ্টি
রাহু- কেতু দোষ-- রাহুর দোষে সম্পর্কের জটিলতা সৃষ্টি হয়
কালপ্ত্র ভাব নিচের বিশষয় গুলো নির্দেষ করে-
বিয়ে কখন বিয়ে হবে,সঙ্গী কেমন হবে,দাম্পত্য জীবনে শান্তি থাকবে কিনা ।এই বিষয়
সম্পর্কে জানা যায় সপ্তম ঘর থেকে ।
আপনার সঙ্গীর স্বভাব কেমন, উচ্চশিক্ষিত , সুন্দরী, রাগি না শান্ত এইসব
বিষয়ে নির্নয় করে ।
আবার আপনা বিবাহিত জীবনে দাম্পত্যর মিল বা অমিল,ঝগড়া বিবাদ এইসব বিষয়
সপ্তম ঘর সম্পর্কে বলে।আইন চুক্তি,সামাজিক যোগাযোগ এই সবের বিশ্লেষন এখান থেকে
হয়।
কুন্ডলী মিলানো প্রচলিত পদ্ধতিঃ
হিন্দু শাস্ত্রে ৮ কুট সবচেয়ে বেশী ব্যবহ্রত হয়।হিন্দু সমাজের অনেকে কুন্ডলি
মিলিয়ে বিয়ে করে না। আবার অনেকে পারিবারিক মিল,মানসিক দিক,চরিত্র ও বাস্তব
বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেয় । নিন্ম লিখিত ভাবে কুন্ডলী মিলনো হয় -
প্রথম ধাপ-- বর ও কনের জন্মকুন্ডলি মিলানো।এই তথ্যের জন্য তিনটি বিষয়ের
নির্ভর করা হয় ।
যথা - জন্মতারিখ ,জন্মের সময় ও জন্মস্থান
দ্বিতীয় ধাপ--৮ কুট অনুযায়ী মিল করা হয়। এই ৮টি কুট হলো (১) বর্ণ কূট (২) বশ্য
কূট (৩) তারা কূট (৪) যোনী কূট (৫) গ্রহ মৈত্রি কূট (৬)গ্ণ কূট (৭)রাশি কূট
(৮)নাড়ী কূট।
তৃতীয় ধাপ--দোষ ও বিশেষ অবস্থান ।বর ও কনের মধ্যে মাঙ্গলীক আছে কিনা। মঙ্গল
গ্রহ ১, ২, ৪, ,৭, ৮ বা ১২ নম্বর ঘরে থাকলে দোষ ধরা হয়।আবার যদি কোন দোষ থাকে
তাহলে পূজা , রত্ন, মিলন এসব দেখে প্রতিকার করা হয় ।
সংখ্যাতত্ব অনুযায়ী বিয়ে কবে হবেঃ
১। লাইফ পাথ নাম্বার-সংখ্যা তত্ব অনুযায়ী জন্মতারিখের সব সংখ্যা যোগ করে এক
অংকে নামানো হয় ।সংখ্যাতত্বের মধ্যে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূণ সংখ্যা ।
যেমন-আপনার জন্ম তারিখ-১৫/০৩/২০০২
এখানে -১+৫+০+৩+২+০+০+২= ১৩
১+৩+৪ এটাই আপনার লাইফ পাথ নাম্বার।এইভাবে বিয়েতে বর/কনের লাইফ পাথ
নাম্বার কতটা মানাসই তা দেখা হয় ।
ডেসটিনি নাম্বার--অপোনার জন্মের পুরা নামের অক্ষর গুলো সংখ্যারুপে যোগ করে বের
করা হয়।এটা আপনার জীবন, সামাজিক সম্পর্ক ও বিবাহের ক্ষেত্রে প্রভাব রাখে ।
সামঞ্জস্য--এতে দেখা হয় কোন সংখ্যা কোন সংখ্যা সাথে মিলবে। কোন জোড়া শুভ আবার
কার মধ্যে বিবাদ বা মতোবিরোধ বেশী হতে পারে।
রাশি অনুযায়ি বিবাহের উপযুক্ত সময়ঃ
অনেক জ্যোতিষি রাশি অনুযায়ী বিবাহের শ্রেষ্ট সময় নির্ধারনের চেষ্টা করে
।প্রতিটি রাশির এমন একটি বয়স বা সময়কাল আছে যা সাধারনত বিবাহের জন্য উপযুক্ত
হিসাবে ধরা হয়।জ্যোতিষিরা বলেন মেষ রাশির উপযুক্ত শুভ সময় হলো ২০ থকে ৩০ বছরের
মধ্যে ।সেই ভাবে কন্যা রাশির জন্য ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বিয়ের পরামার্শ দেওয়া
হয়।
হিন্দু ধর্মে অতি সহজে বিয়ের জন্য কি করেঃ
মুসলিম সমাজের ছেলে / মেয়েরা বিয়ের জন্য যেমন আমল করে তেমিন হিন্দু সমাজ বিয়ের
জন্য কিছু রীতিনিতি পালন করে এর মধ্যে পূজা পাঠ,ব্রতপালন,মন্ত্রযপ ইত্যাদির
মাধ্যমে ঈশ্বরের আশর্বাদ কামনা করে।তবে এগুলো বিশ্বাস ও আধ্যাত্বিক এই রীতিনীতি
পালন করে ফল যে নিশ্চিত তা বলা যায় না।
১। হিন্দুরা বিশ্বাস করে শিব - পার্বতীর পূজা-
হিন্দুরা মনে করে শিব- পার্বতীর আশীর্বাদ নিলে শুভ বিবাহের সম্ভবনা খুবই বাড়ে।
তারা শিবের আশির্বাদ নেওয়ার জন্য নিয়ম করে প্রতি সোমবার শিবলিঙ্গে জল, দুধ
অর্পন করে,বিল্বপাতা নিবেদন,শিব-পার্বতী সামনে প্রার্থনা করে বলেন যে "হে
মহাদেব ও মা পার্বতী,আমার জীবনে আমার সঙ্গী পাওয়ার পথ সহজ করে দাও"।
২। গণেশ পূজা-
তারা বলে হে "গণেশ দেব"বিঘ্নহর্তা" তুমি আমার শুভ কাজের বাধা দূর করে দাও।
প্রতিদিন বা মঙ্গলবার /চতুর্থীতে জপ করতে পারেন।
৩। রাধা - কৃষ্ণনের নিকট প্রার্থনা-
হে রাধা রানী আমার জীবনে উপ্যুযুক্ত সঙ্গী আমার বিবাহ জীবন শান্তিময় হোক।
৪। বিয়ের জন্য ব্রত-
হিন্দু সমাজে বিয়ের জন্য জনপ্রিয় ব্রত হচ্ছে, মঙ্গল গোরী ব্রত ( প্রতি
মঙ্গলবার) শুক্রব্রত (এটি মেয়েদের জন্য প্রচলিত) আবার বিয়ে সহজ করার জন্য তারা
শিবরাত্রি উপবাস করে ।
৫। সাধারণ প্রার্থনা-
হিন্দু ধর্মে বিয়ের তারা কিছু সাধারন প্রার্থনা করে থাকে যেমন-"হে ভাগবান আমার
জীবনের সঠিক সময় ও সঠিক মানুষ এনে দিন। আমার মন শান্ত রাখুন,সিদ্ধান্ত শক্তি
দিন এবং শুভ বিবাহের পথ খুলে দিন"।
হিন্দু শাস্ত্র মতে বিয়ে দেরি হবার কারনঃ
অনেক মানুষ মনে করে বিয়েতে দেরিতে হচ্ছে-আবশ্য এর পিছনে কিছু কোন কারন রয়েছে
।যেমন-
১। জ্যোতিষী কারন-
শনি দোষ-শনি একটি ধীর গ্রহ হিসাবে আমরা জানি যাদের শনির দোষ রয়েছে তাদের
ক্ষেত্রে বিয়ে দেরিতে হতে পারে ।
২।ব্যাক্তি গত কারন-
অনেকে মনে করে নিজে প্রতিষ্ঠত না হওয়া পযর্ন্ত বিয়ে করে না ।
আবার অনেকে মনে করে আমিতো বেকার, বিয়ের করে খরচ চালব কি করে ।দাম্পত্য জীবনে
অনেক দায়িত্ব আছে এই চিনতা করতে করতে বিয়ে অনেক দেরি হয়ে যায় । অনেক সময় দেখা
যায় পারিবারিক বাধা বা সম্মতি অনেক দেরিতে দেয়।
জ্যোতিষীদের ভাবনাই-
বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু নিজের জীবনের চার্ট নয় ,আপনার প্রিয় সঙ্গীনির চার্ট
গুরুত্বপূর্ন । বর/ কনের রাশি একটি মিলন- সংকোচ সৃষ্টি করতে পারে যেটা দাম্পত্য
জীবনকে প্রাভবিত করে।
তাছাড়া আপনার বিয়ের সময় হয়েছে কিনা এটাও একটি কারন হতে পারে ।যদিও আপনার বিয়ের
বয়স হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনার মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। যেমলন -বিয়ের
বাজেট ,ভবিষ্যতের দায়িত্ব পালন করতে পারবি কিনা ইত্যাদি ।
হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিয়ের বয়সঃ
হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিয়ের বয়স একটি নিদির্ষ্ট সংখ্যা নয় তবে বিভিন্ন
শাস্ত্রে বিয়ের আদর্শ বয়স সম্পর্কে দিকনিদেশনা রয়েছে ।এগুলো প্রাচীন সমাজ
ব্যাবস্থা।
মনুস্মৃতি--
মনস্মৃতিতে হিন্দু নারীর বিবাহের আদর্শ বয়স সম্পর্কে বলা হয়েছে।হিন্দু শাস্ত্রে
নারীদের আদর্শ বয়স হচ্ছে ৮ থেকে ১২ বৎসর এবং পুরুষদের আদর্শ বয়স ২৪ থেকে ৩০
বছরে বিয়ের উপযুক্ত বলে গণ্য করা হত ।
ধর্মশাস্ত্রসমূহ-
হিন্দু শাস্ত্র মনে করে তখনি বিয়ে উচিত যখন ছেলে ব্রহ্মচর্যাশ্রম শেষ করে
শিক্ষা স্পম্পূর্ন করে। মেয়ে শারিরিক ও মানসিক পরিপক্ক হবে তখন ।এজন্য
নারীর চাইতে পুরুষের বয়স বেশী ধরা হয় ।
শেষকথায় বলা যায়, হিন্দু শাস্ত্রে বিয়ের আদর্শ বয়স আছে কিন্তু সেগুলো
আজকের আইনের সাথে সঙ্গতি পূর্ন নয়।
হিন্দু বিবাহের রাষ্ট্রীয় আইন বলতে ভারতে১৯৫৫ সালে হিন্দু বিবাহ আইনকে বলা হয়
।এই আইনে হিন্দু ,বৈদ্ধ,জৈন ও শিখ সম্প্রদয়ের বিবাহ সংক্রান্ত আইন । এর প্রধান
বিষয় গুলো নিচে আলোচনা করা হল-
০১। বৈধ বিবোহের শর্ত- হিন্দু বিবাহ আইনে বরের বয়স কমপক্ষে ২১ ও কনের বয়স ১৮
হতে হবে । উভয়ের মানসিক সক্ষ্মতা থাকতে হবে।আবার একই সময় দ্বিতীয় বিয়ে বৈধ নয় ।
০২। বিবাহের বৈধতা-ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি অনুযায়ি বিবাহের অনুষ্ঠান হলেই বিবাহ
বৈধ।বিবাহ রেজিষ্ট্রি প্রমান হিসানে খুবি গুরুত্বপূর্ন । তবে দাম্পতিরা চাইলে
বিবাহ নিবন্ধন করতে পারে।
বাংলাদেশে হিন্দু বিয়ে পরিচালনার জন্য ২০১২ সালে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন
প্রনয়ন করে।
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন ২০১২-
এই আইন হিন্দুদের বিবাহ নিবন্ধনের ব্যবস্থা চালু করা হয় ।তবে এটা হিন্দু সমাজের
বিবাহ বৈধ বা বিবাহের শর্ত নির্ধারন করে না ।দাম্পতি চাইলে বিবাহ নিবন্ধন করিতে
পার্ না করলে বিবাহ অবৈধ হবে না ।
০৩। হিন্দুদের বিবাহ রেজিষ্ট্রি করার জন্য বাংলাদেশ সরকার একজন নিবন্ধকের
ব্যবস্থা করিয়াছে যাহাতে হিন্দু ধর্মীয় লোকজন ইচ্ছা করলে বিবাহ নিবন্ধন করতে
পারবে।
০৪। নিবন্ধনের জন্য যা যা লাগবে (ক) বর কনে সম্মতি (খ) ধর্মীয় রীতিতে বিবাহ
সম্পন্নর প্রমান প্ত্র(গ) জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম সন্দ(ঘ) ও দুজন স্বাক্ষী ।
বিয়ের সামাজিক কারনঃ
বিবাহের ক্ষেত্রে অনেক সামাজিক কারন আছে নিচে সে গুলো আলোচনা করে হল-
০১।সামাজিক স্বীকৃতি -
বিবাহ একটি সামাজিক স্বীকৃতি বিষয়,দাম্পত্য জীবন ও সন্তান জন্ম লালন
পালনের এক সুন্দর কাঠামো।
০২।পরিবার গঠন-
বিবাহীন সমাজ পরিবার ধংস করে ফেলে ।একমাত্র বিবাহের মাধ্যমে পরিবার গড়ে
উঠে ।সমাজে পরিবার হলো মৌলিক একক,বিবাহ সেই একককে প্রতিষ্ঠীত করে ।
০৩।সামাজিক স্থিতিশীলতা-
একমাত্র বিবাহ মানুষকে দায়িত্বশীল করে তোলে । সমাজে শৃংখলা, নিরাপত্তা ও
পারস্পারিক সহযোগীতা বাড়ে ।
০৪।বংশধর ও সন্তান লালন পালনের কাঠামো-
বিবাহের মাধ্যমে সন্তান উৎপাদন হলে ঐসন্তানের লালন পালন ও উত্তরাধিকার
ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। সন্তানের পরিচয় ,অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় ।
০৫।সামাজিক মর্যাদা ও গ্রহনযোগ্যতা -
বিবাহ জীবনকে স্থিতিশীল ও মর্যাদার অবস্থান হিসাবে দেখা দেয় এবং সমাজে
আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বাড়ে।
০৬।সামাজিক দায়িত্ব বন্টন-
বিবাহ দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরী করে ।
বিবাহের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ
বিজ্ঞানিক ব্যাখা বলতে সাধারনত বুঝানো হয় যে মানব সমাজে বিয়ে জুটি কেন হল। বৈজ্ঞানিক ব্যাখায় জীববিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞান আলোকে এর ভূমিকায় কি আছে তা আলোচনা করা হল-
(ক) প্রজন্ন ও জীনগত বেঁচে থাকা-
বিবাহের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম টিকে থাকে ।যেমন - বিবাহের মাধ্যমে যখন সন্তান
উৎপাদন হয় তখন ঐসন্তানকে বড় করতে মানুষের অনেক সময় লাগে ,একটি শিশু যত দীর্ঘ
সময় নিরাপদে থাকে তত তার বেঁচে থাকার সম্ভনা বেশি থাকে ।
(খ জেনেটিক বৈচিত্র-
বিবাহের মাধ্যমে স্বীকৃত জুটি গঠনের ফলে সঙ্গী নির্বাচন হয় বিভিন্ন বৈশিষ্টের
ভিক্তিতে,যা জীন বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে ।
(গ) আবেগিক নিরাপত্তা-
মানুষ একটি সামাজিক প্রানী তার আবেগিক প্রয়োজন। যেমন-ভালবাসা, নিরাপত্তা ইত্যাদি
পূরন করতে স্থায়ী সম্পর্কের প্রয়োজন হয়।
(ঘ) মানষিক সুস্থতা --
গবেষনায় দেখা যায় দীর্ঘদিন সম্পর্ক থাকা ব্যাত্তিরা স্টেস কম অনুভব করে
,মানষিকভাবে বেশি স্থিতিশিল থাকেন, দীর্ঘায়ু হয় ।দুজনের সমন্বয়ে অর্থনৈতিক
দায়িত্ব ভাগ হয় ।সম্পদ রক্ষা সহজ হয়,ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা যায়।
বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক প্রথাঃ
ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী তালাক একটি স্বিকৃত ব্যাবস্থা ।ইসলামী শরিয়া মোতাবেক এটি
অপছন্দনীয় হলেই এটা বৈধ হিসাবে গ্ণ্য করা হয় ।
০১। তালাকের মূল ধারনা-
তালাক শব্দের অর্থ হলো ছাড়িয়ে দেওয়া বা বন্ধন থেকে মুক্ত করে দেওয়া।দাম্পত্য
কলহ, শারীরিক নির্যাতন ও অশহনীয় পরিস্থীতে তালাক অনুমোদিত হয় ।
০২। তালাকের প্রকার ভেদ-
ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী তালাক দুই ধরনের।(এক) তালাক আহসান (দুই) তালাক হাসান
তালাক নিষিধ বা হারাম হলেও অনেক আলেমের মতে কাষর্কর হয়'।এতে স্ত্রী চুড়ান্ত
ভাবে তালাক প্রাপ্ত হয়,একসাথে তিন তালাক উচ্চরন করতে হয়।
০৩। তালাকের শর্ত সমূহ-
তালাক দিতে হলে স্বামীকে বালেগ ও সুস্থ মস্তিষ্কের হতে হবে , স্বামি নিজের ইছাই
তালাক দিবে জোর করে নয়, পরিস্কার শব্দে তালাক উচ্চরন করতে হবে কোন ইশারায় তালাক
প্রদান করা যাবে না ।
০৪।অপেক্ষা কাল-
তালাকে পর স্ত্রীকে নির্দিষ্ট সময়কাল অপেক্ষা করতে হবে। ইহাকে বলে ইদ্দতকাল।
ইদ্দতের সময় কাল তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ৩ মাস অপেক্ষা করতে হবে।গর্ভাস্থায় তালাক
দিলে সন্তান জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
০৫। যে সময় তালাক নিষিধ-
স্ত্রী মাসিকের সময়,তিন তালাক একসাথে,রাগের মাথায় তালাক উচ্চরন,খেলার ছলে
তালাক।
মুসলিম পারিবারিক আইনে ১৯৬১ সালে থেকে কার্যকর হয় -
স্বামি স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে স্বামী নিচের তিনটি ধাপ অনুসরন করা হয়-
স্বামীলে লিখিত আকারে তালাকনামা প্রস্তুত করতে হবে,নোটিশ প্রদান-(১) স্থানীয়
ইউওনিয়ান পরিষদ চেয়াম্যান /মেয়র/বা ওয়ার্ড় কমিশিনারের ম্যাধ্মে ।(২) স্ত্রীকে
নোটিশ আকারে পাঠাতে হবে ।(৩) নোটিশ পাওয়ার তারিখ থেকে প্রক্রিয়াটি আইন হিসাবে
গন্য হবে ।ঐএকই প্রদ্ধতিতে স্ত্রীরা স্বামীকে তালাক দিতে পারবে। স্ত্রী যদি
স্বেচ্ছাসহকারে মোহরানা বা অন্যকিছু ফেরত দিয়ে তালাক দিতে চাই তবে -স্বামীকে
সম্মতি দিতে হবে ,তারপর নোটিশ প্রদানের ৯০ দিন পর তালাক কার্যকারি হবে । স্বামি
বা স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে তালাক চাইতে পারে।তালাকের পর স্ত্রী অঢিকার -মোহরানা
আদায় ও খোরপোষ ।আবার স্বামীর অধিকার আছে যেমন সন্তান দেখার অধিকার ।
হিন্দু শাস্ত্রে বিচ্ছেদের আইন ঃ
পরিত্যাগ-
স্বামী স্ত্রী যদি দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকেন, অসহনীয় নিষ্ঠুর আচরন, অন্য নারী বা
পুরুষের প্রতি আসক্তি , এগুলোকে হিন্দু বিচ্ছেদের কারন হিসাবে দেখা দেয়। তবে
১৮৫৬ সালের আইনে হিন্দুশাত্রে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করা হয় তখন থেকে তালাক
প্রপ্ত কোন হিন্দু নারী পূনরায় বিবাহ করতে পারবে।
হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদের ভিক্তি নিম্ন রুপ-
নিষ্ঠুরতা, পরিত্যগ , ব্যাভিচার ,ধর্মান্তর,অসুস্থাতা বা মানসিক
সমস্যা,পরস্পরের সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে থাকে ।
অর্থাৎ আধুনিক আইনে তালাক - সদৃশ বিচ্ছেদ স্বীকৃত, কিন্তু প্রাচিন হিন্দু
শাস্ত্রে সরাসরি তালাক ছিলনা।
শেষ কথাঃ
আমার বিয়ে কবে হবে এই বিষয়ে নিশ্চিত বলা সম্ভাব নয়।তবে আপনার চেষ্টা ,আল্লাহর
রহমত ,সঠিক সময় এই তিনটি বিষয় মিলে গেলে আপনার বিয়ে হবে ।হতাশ হবেন না আল্লাহ
যখন সৃষ্টি করেছেন তখন অবশ্যই আপনার বিয়ে হবে । জিবনের প্রতিটি জিনিষের
মতো বিয়েও আসে সঠিক সময়ে ।আর বিয়ে এমন একটি বিষয় যা আপনার পরিকল্পনা ও
প্রচেষ্টা সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর বিশেষ কদর ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিয়ে হবে । হতাশা হবেন না,বিয়ের জন্য আপনাকে নিদির্ষ্ট লক্ষের দিকে এগিয়ে যেতে
হবে ।
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও রাফিদ আইটির অ্যাডমিন।
তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন।
৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url