কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়



কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় বলতে সাধারণত বোঝায় খুব খুব কম বা কোনো অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ছাড়াই ইনকাম/ আয় শুরু করা। অনলাইনে ফ্রি ইনকাম করার অনেক বৈধ উপায় রয়েছে ।বাংলাদেশে বেকার সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে ,এই বেকার জনগোষ্টি বাড়িতে বসে থেকেই কোন প্রকার বিনিয়ো ছাড়াই আয় ইনকামের পথ খোঁজেন ।আবার অনেকে চাকরি বা ব্যাবসা করার পাশা পাশি আরো কাজ করে আয় ইনকাম করতে চাই ।ফ্রি ইনকাম করতে চাইলে কিছু সাধারণ দক্ষতা ও কিছু কৌশলের প্রয়োজন হয়।
অনলাইনে ব্যাবসা করতে চাইলে আপনার আন্ড্রয়েট মোবাইল বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেটের প্রয়োজন হবে ।ইন্টারনেট ছাড়া অফলাইনের কিছু কিছু ব্যাবসা আছে ,যেমন হোমমেড খাবার তৈরী করে আপনি হোম ডেলিভারি করতে পারেন ।

পোষ্ট সূচী পত্রঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়

কিভাবে ফ্রী টাকা ইনকাম করা যায়

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা নিয়ে আপনি ভাবছেনএবং মনে করছেন ফ্রিলান্সিং করতে দক্ষতা লাগবে আমি বলি সব সময় দক্ষতা লাগে না। কিছু সহজ কাজ আছে যা নতুনেরা করতে পারবে । যদি অনলাইনে একটু চোখ কান খোলা রাখি, তাহলে দেখতেপাব অনলাইনে ফ্রি ইনকাম করার অনেক Apps আছে ।আর এর সাহয্যে আমরা বৈধ ভাবে আয় ইনকাম করতে পারি । যেমন- অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং, ওয়েব ডিজাইন, সোশাল মিডিয়া মার্কেটিন,অনলাইন বা অফলাইনে টিউশানি,অ্যাফিলিয়াটি মার্কেটিন ,কনটেন্ট রাইটিং,ভিডিও এডিটিং,ব্লগিং,ইউটিউব ভিডিও তৈরী,ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করে আয় ইনকাম করা যায়।

বিভিন্ন ব্লগে বা ওয়েব সাইডে কন্টেন্ট রাইটং


আপনার যদি লেখালেখির ক্ষেত্রে ভাল দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি লিখে ব্লগে কন্টেন্ট লিখে ভাল আয় করতে পারেন।কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা নিয়ে আপনি ভাবছেন ।আপনিকি জানেন বাংলাদেশের হাজারো মানুষ ঘরে বসে লিখালিখি করে আনেক আয় করে থাকে ।যে সব ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট লিখে আয় করা যায়।ব্লগ,ওয়েব,প্রোডাক্ট লেখা,প্রজেক্ট বেসড রাইটিং ,প্রজেক্ট,আর্টিকেল এইসব ওয়েব সাইডে লিখালিখি করে আপনি ভাল আয় ইনকাম করতে পারেন।আপনি মনে কছেন কন্টেণ্ট রাইটিং লেখা খুবি কঠিন মোটেই কঠিন নয়। নিয়মিত লেখার অভ্যাস, গবেষণা এবং SEO জ্ঞান থাকলেই ধীরে ধীরে আপনি দক্ষ হয়ে উঠবেন। আজ থেকেই একটি ছোট টপিক নিয়ে লেখা শুরু করুন।
 সময়ের সাথে সাথে আপনি দক্ষহয়ে উঠবেন। মূলকথা কন্টেন্ট রাইটিং হলো পাঠকের কাছে উপকারি ,তথ্যভিক্তিক এবং আকর্ষনীয় বিষয় গুলোর লেখা তৈরী করার প্রক্রিয়া এটা হতে পারে ব্লগ পোষ্ট,ওয়েবসাইট আর্টিকেল,পণের বিবরন,সোশাল মিডিয়াপোষ্ট,স্ক্রিপ্ট বা বিজ্ঞআপঅনের লেখা। আপনি যদি আপনার ওয়েব সাইডে কন্টেন্ট লিখেন তাহলে তাহলে গুরুত্বপূন দিক গুলো হলা, অনলাইনে ব্যবসার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াই,গুগলে র‍্যাঙ্কিং উন্নত করে ,আপনার ব্র্যান্ডের পরিচিতি বাড়বে ,পাঠককে ক্রেতায় রুপান্তারিত করে,নিয়মিত ট্রাফিক আনে ।

ইউটিউবে,টিকটকে ভিডিও বানিয়ে 

এই ব্যাবসার প্রয়োজন মোবাইল ও ইন্টারনেট। আপনি যদি ক্যামেরা সামনে দাঁড়াতে ভয় না পান তাহলে আপনি ইউটিউব চ্যালেন খুলে নিজে ভিডিও বানিয়ে চ্যানেলে দিয়ে আয় ইনকাম করতে পারেন ।কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন তাহলে আপনি এখনি ঘরে বসে মোবাইলে দিয়ে এই ব্যাবসা শুরু করতে পারেিন ।ইউটিউব বানানোর জন্য কিছু নিয়ম কানুন পালন করতে হবে ।আপনি কোন বিষয় নিয়ে ইউটিউব বানাবেন সেই বিষয় গুলো আগে ঠিক করে নিন,ক্যামেরা/ মোবাইল সেটআপ ভিডিও বানানোরসময় পর্যপ্ত আলো আছে কিনা তা দেখে নিন। ক্য্যামেরা বা মোবাইল ভাল্ভাবে শুট করুন,পরিস্কার করে ভিডিও এডিটিং করুন,প্রয়োজন হলে একাধিক শুট নিন।
ভিডিও এডিটিং এর সময় কাট,মিউজিক টেক্সট ভাল ভাবে যোগ করুন।আপনার তৈরীকৃত ভিডিও গুলো নিয়মিত আপলোড করুন এবং সপ্তাহে ১/২টি ভিডিও আপলোড দিতে পারলে আপনার ভাল রিচ আসবে ।আপনি মোবাইলে দিয়ে ইসলামিক ,ফানি ,গ্রামে অনেক খেলা ধুলা হয় এই গুলোতে ধারাভাষ্য নিজে তৈরী করে শর্ট নিউজ হিসাবে ব্যাবহার করতে পারেন ।টিকটক ভিডিও গুলোতে কমেডি,ডান্স এর মধ্যে আপনি যেটা ভাল পারেন তা করুন ।খেয়াল রখবেন আপনার ইউটিউবের ভিডিও বা টিকটকের ভিডিও সাউন্ড গুল যেন ভাল হয় ।



মোবাইল রিচার্জ,বিকাশ,নগদ ও বিক্রয় সেবা

 কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন।আপনাকি জানেন বর্তমান যুগ মোবাইলের যুগ ।এখন সবার হাতে হাতে মোবাইল। অনলাইনে ব্যাবসা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই ব্যাবসা বেশ লাভজনক হয়েছে ।এই ধরনের ব্যাবসাতে পুঁজি কম এবং অল্প জায়গাতে এই ব্যাবসা করা যায় ।এই ধরনে ব্যাবসাতে কিছু কৌশলের প্র্যোজন হয়,যেমন-আপনার ব্যাসার স্থান হতে বাজার এলাকায়,ব্যস্ত রাস্তা,স্কুল কলেজে সামনে জনবহুল এলাকায়।
 এতে আপনার বিনিয়োগ বেশী করতে হবে ৫০০০/২০০০০ টাকা ,অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ২০০০০ টাকা। সিম সব অপারেটে ২০০/৯০০ টাকা।ক্যাশ রির্জাব ৩০০০০/৮০০০০ টাকা।আপনার আয় হবে যেভাবে, রির্চাজ কমিশন,বিকাশ,নগক্যাশইন/ক্যাশ আউট, বিল পরিষদ সেবা ,অনলাইনে টিকিট সেবা। 
তবে সব ব্যাবসার কিছু কৌশল থাকে।যেমন- আপনাকে গ্রাহক সেবা দ্রুত দেয়া বিশ্বাসঅর্জন ভুল হলে তা সাথে সাথে সমাধান করা।শুধু ব্যাবসা করলে হবে না ,আপনার ব্যাবসাতে সঠিক হিসাব রাখতে হবে।এই সেবাতে খুবই ঝুকে রয়েছে তেমনি সংশোধনের ব্যাবস্থা আছে আপনি কোন কারনে ভুল নম্বরে টাকা গেলে সাথে সাথে কাষ্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে হবে ।
ক্যাশ ও ব্যালেন্স আলাদা করে রাখুন,প্রতিদিন স্টেট্মেন্ট মিলিয়ে নিবেন।  তবে মজার বিষয় হল এই ব্যাবসাতে আপনার ইন্টারনেট লাগবেনা।সঠিক লোকেশান ভাল ব্যাবহার এবং দ্রুত পরিসেবা দিলে এই ব্যাবসা স্থায়ী ভাবে আর বড় আকার বাড়ানো সম্ভাব ।

ফেসবুক পেজ খুলে আয়

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় । ফ্রি ইনকাম করতে চাইলে ফেসবুক পেজ খুলতে পারেন ।ফেসবুক শুধু যোগযোগ মাধ্যম নয় এর রয়েছে বিশাল প্লাটফর্ম।আপনি যদি ফেসবুক পেজ খুলে সঠিকভাবে ব্যাবহার ব্যাবহার করতে পারেন তাহলে কোন ইনভেষ্ট ছাড়াই ভাল ইনকাম করতে পারবেন।ফেস বুক পেজ খুলার পর আপনার যা যা প্রয়োজন হবে ।
আপনার কন্টেন্টে ইউনিক হতে হবে,১০০০০ ফলোয়ার । যদি আপনি নিয়মত ছবি , রিল ইত্যাদি দিতে পারেন তাহলে সহজে মনিটাইজেশান পেতে পারেন।এতে মজার মজার ভিডিও,রিলসএডিটিং, যে সব কন্টেন্ট ভাইরাল হয় সেগুলো দিয়ে, নিউজ আপডেট,কুইজ বা বিভিন্ন তথ্য ফেসবুক পেজে দিয়ে আপনি আয় করতে পারেন।এভাবে আপনার আপলোড করা ভিডিওতে বিংগ-দেখানো হবে আর বি---- দেখলে ফেসবুক আপনাকে অর্থ দিবে।ফেসবুক পেজে নিয়মিত ছোট ছোট খুব মজাদার তথ্য বহুল ভাইরাল ধরনের রিল ভিডিও বানিয়ে ,কপিরাইট ফ্রি মিউজিক ব্যাবহার করতে হবে।লাইভ করেলে দর্শকরা স্টার পাঠাব এই স্টার ফেসবুক টাকায় রুপান্তর করা যায় ।
 
 পেজ ব্যাবহার করে নিজের ডিজিটাল পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন।এছাড়া গ্রাফিস্ক ডিজাইন,ভিডিও এডিটর,ফোটগ্রাফার সোশাল মিডিয়া ম্যানজার,ওয়েব ডিজাইনার এইসব কাজ করলে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাওয়া সাথে সাথে আপনার পেজ  মানুষের কাছে পৌছে দিতে সাহায্যক করবে ।তবে আপনাকে নিয়মিত  পোষ্ট করতেই হবে । কপিরাইট আইন মেনে চলা, অডিয়েন্সের সাথে এনগেজ থাকা ।ধৈর্য রাখা,মোটকথা পরিশ্রম ও সঠিককৌাশলে ফেসবুক পেজ থেকে মাসে লক্ষ টাকা ইনকাম করা যায় ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিন

 
আফিলিয়েট মার্কটিনে কোন প্রোডাক্ট কিনতে হয় না।আপনি বিভিন্ন কোম্পানির লিংক শেয়ার করে আয় করতে পারেন।অ্যফিলিয়েট মার্কেটিং এর মধ্যে যেমন-অ্যামাজন,দারাজ,ক্লিকবাংক প্রোগামে শাইন আপ করুন। কোম্পানি আপনাকে অ্যাফিলিয়েট লিংক দিবে সেই লিংকে ক্লিক করে কিছু কিনলে সেটি আপনার ট্রাক হবে।তবে আপনাকে কোম্পানির পণ্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার  করতে হবে । যেমন সোশাল মিডিয়া, ব্লগ বা ওয়েবসাইট,ইউটিউব ইমেল মার্কেটিংয়ে।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ বিভিন্ন রয়েছে। কেউ পণ্য কিনলে কমিশন,কেউ ফর্ম পূরন করলেই টাকা আবার কেউ লিংকে ক্লিক করলে টাকা ইনকাম হবে ।
আবার আপনি ভাবছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেট কথায় পাব । কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় তা নিয়ে  চিন্তা নেই, বাংলাদেশ ও বিশ্বে অনেক অ্যাফিলিয়েট প্রোগাম রয়েছেএই গুলোর মাধ্যে বাংলাদেশের কোম্পানি গুলো হল Daraz Affiliate,Evaly/rokomari Affiliate,pickaboo Affiliate , AjkerDeeal। আন্তর্জাতিক পোগ্রাম গুলো হলো যেমন Amazon,ClickBank, Awin,CJ Affiliate। আপনি ভাবছেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কি লাগবে।আপনার প্রয়োজন একটি মোবাইল বা ল্যাপটপ, ইন্টারনেট,মার্কেট রিসার্চ।পণ্য সম্পর্কে আপনার ভাল ধারনা থাকতে হবে ,কন্টেন্ট তৈরী করার দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে ।
 অ্যাফিলিয়েট মার্কটিনের নিচের বিষয় খুবই গুরুত্ব পূর্ন, সঠিক নিশ নির্বাচন করা যেমন-ডিজাটাল প্রোডাক, টেক গ্যাজেট, বিউটি , অনলাইন কোর্স ।মানুষ কেনার আগে আপনার কথা বিশ্বাস করবে এমন নির্ভেজান তথ্য দিতে হবে ।এই বিষয় কাজ করতে হলে আপনাকে ধর্য ধারন করতে হবে।
বিভিন্ন পণের রিভিউ ছবি ,ভিডিও পোষ্ট করে অ্যাফিলিয়েট লিংক দিন।আপনার  যে বিষয়ে দক্ষতা রয়েছে সে বিষয়ের উপর নির্ভর করে পণ্য বাছাই করবেন।কোম্পানী আপনাকে একটি ইউনিক লিংক দিবে,আপনি সেই লিংক দিয়ে ট্রাক করে আপনার রেফার থেকে বিক্রয় হলে আপনি কমিশন পাবেন ।



ক্যানভা ডিজাইন / tempate Seelling:

Canva হলো একটি অনলাই্টিগ্রাফিক্স ডিজাইন প্লাটফর্ম।ক্যানভা দিয়ে সহজে ছবিপোষ্টার,ভিডিও,লোগো,প্রেজেন্টেশান ডকুমেন্ট সহ বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরী করা যাই ।কোন অভিংতা ছাড়াই যে কোন মানুষ ক্যানভা ব্যাবহার করতে পারে ।এটা এমন একধরনের প্লাটফর্ম যা ব্রাউজার ও অ্যাপ দুই ভাবে ব্যাবহার  করা যায় ।Canvaতে Darg & dorp সিস্টেম থাকার কারনে অতি সহজে কাজ করা যায় ।
প্রি মেড টেমপ্লাট থাকার কারনে নতুনরা সহজে ডিজাইন তৈরী করতে পারে ।ক্যানভা বিভিন্ন ধরনের টেমপ্লেট রয়েছে ,সোশাল মিডিয়ার পোষ্ট,বিজনেস কার্ড,ওয়েব বানার,ইমেল হোডার।ক্যানভার মিডিয়া লাইব্রেরীতে১০ কোটিরও বেশি ছবি, ভিডিও,স্টিকার ,আইকন, শপ ও গ্রাফিক্স।ফ্রি এবং প্রিমিয়ার কন্টেন্ট আলাদা আলাদা থাকার কারনে এটা সহজে চিহ্নত করা যাই।
ক্যানভাতে অতি সহজে ভিডিও কাটিং,ট্রিমিং,ট্রানজিশান ভয়েস-ওভার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যোগ  করা যাই ।ক্যানভা থেকে সরাসরি Facebook, Instagarm,TikTok.Pinterest,linedin  এ পোষ্ট করা যাই।ফলে মার্কেটারদের জন্য এটা বেশ সুবিধা জনক ডিজাইন রেডি হলে PNG, JPG, PDF, MP4 ইত্যাদি ফরম্যাটে ডাউনলোড করা যায়।ক্যানভাতে আর মজার বিষয় হলো এটা মোবাইল ও কম্পিউটারে দুটাতে ব্যাবহার করা যায় ।কাজেই ক্যানভা ব্যাবহার করেই ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায় ।

Etsy ও Creative market , Fiverr

Etsy এর বাংলায় কোন নিদির্ষ্ট অর্থ নেই ,এটি হলো আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস ,যেখান থেকে হাতে তৈরি  ,ভিন্টেজ ও ক্রাফট সামগ্রি কেনা বেচা হয়।এটি সাধারন ই-কমার্স সাইটে মত এতে সৃজনশীলো ইউনিক আইটেম আছে । Etsy যেভাবে কাজ করে তা হলট্তেতাবিক্রেতা একটি একাউন্ট থাকে ,দোকানের নাম থাকে এবং পণের যাবতীয় তথ্য থকে ।ফলে এতে ক্রেতারা পণ্য খুজে কিনে  etsy পেমেন্ট করে এবং বিক্রেতাকে টাকা পাঠাই।ইহাতে Etsyকছু ফি পায় । Etsy এ সাধারনত হাতে  তৈরী প্রাচীন পণ্য বিক্রি করে থাকে।Etsy মূলত;যারা নিজে হাতে পণ্য তৈরী করে ছোট ব্যাবসা করতে চাই Art বা ডিজিটাল প্রোডাক বিক্রি করে। 
Creative market এটা একটি ডিজিটাল মার্কেট প্লেস এখানে ডিজাইনরা ডিজিটালপণ্য বিক্রয় করে।এখানে বিভিন্ন প্রকারের ডিজিটাল অ্যাসেট বিক্রয় করা যাই যেমন-লগো,আইকোন,ইলাস্ট্রেশন
টেমপ্লেট ।এখানে ডিজাইনার ও ক্রিয়েটারদের ইনকামের সুযোগ থাকে ।শেষ কথা বলা যাই Creative Market হলো ডিজিটাল পণ্য কেনা বেচার প্ল্যাটফর্ম।
Fiverr হলো ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস ।যেখানে বিশ্বের যে কোন ফ্রিলান্সার তাদের দক্ষতা বিক্রয় করতে পারে  এবং যে কোন ক্লায়েন্ট সেই সেবা কিনতে পারে ।ফ্রিলান্সার তার সেবা বক্রিয় করে ক্লায়েন্ট তার কিনতে চাই।এক কোথায় সে সেবা দেয় সে হল ফ্রিলান্সার আর যে সেবা কেনে তাকে বলা হয় Buyer .Fiverr ব্যাবহার কারিকে ফাইভার ওয়েব সাইটে একটি একাউন্ট খুলতে হয়।আআপনি কি সেবা দিবেন তার জন্যএকটি Gig  বানাতে হয়।Gig দেখে ক্লায়েন্টরা পণ্য ক্রয় করে  থাকে ।

ব্লগ লিখে আয় 

 ব্লগ হলো এমন এক ধরেনের লেখা বা কন্টেন্ট যেখানে কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজের মতামত লেখা লেখির ম্যাধ্মে পাঠকের নিকট তুলে ধরে।তবে আপনাকে ব্লগগুলো নিয়মিত পাঠকের নিকট তুলে ধরতে হবে।ব্লগিংয়ে অবশ্যই মানসম্পুর্ন হতে হবে।ব্লগে সাধারণত লেখা,ছবি,ভিডিও,লিংক ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারেন।ব্লগ করতে হলে প্রথমে আপনাকে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট তৈরী করুন ।আপনি Blogger.com বা WordPress খুলে ব্লগ শুরুকরতে পারেন তবে ব্লগিং এ WordPress সবচেয়ে ভাল কেননা ইহাতে ফিউচার গ্রোথ বেশি থাকে। 
আপনি এলোমেল ভাবে কাজ না করে নির্দিষ্ট টপিক বাছে নিন।একটি বা দুইটি বিষয় নিয়ে কাজ করলে দ্রুত গ্রোথ আসে ।SEO শিখুন এবং মানসম্মত কন্টেন্ট লিখুন 'আপনি ব্লগে কীওয়ার্ড রিসার্চ করেলিখেন ,ছবি ব্যাহার করবেন এবং ভাল করে লিখবেন।আপনি বেশি বেশিমানসম্মত করে কন্টেন্ট লিখলে ব্লগে এ্যাড দেখাবে ,ভিজিটরদের ক্লিক বা ভিউ থেকে আয় পাবেন ।এভাবে আপনার ব্লগ জনপ্রিয় হলে বিভিন্ন কোম্পানি টাকা দিয়ে আপনার ব্লগে তাদের পোষ্ট/ রিভিউ প্রকাশ করতে বলবে ।

ঘোরয়া খাবার বিক্রি করে আয়                                                          

আপনি ভাবছেন কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করে যায়, অবশ্যই করা যায় ।মেসে , হোষ্টেলে বা অফিস আদালতে আপনি হোম ডেলিভারি আকারে খাবার পার্শেল হিসাবে বিক্রিয় করতে পারেন ।ঘোরয়া খাবার বিক্রিয় করতে চাইলে আপনাকে বিশেষ কৈশলের আশ্রায় নিতে হবে  যেমন-খাবরের ছবি,ভিডিও পোষ্ট ,অর্ডার নেওয়ার নিয়ম সুন্দর করে পোষ্ট করবেন।
আপনার পেজে নিয়মিত পোষ্ট দেন খাবারের একটি মিনু বানিয়ে রাখুন এবং এই মেনু কার্ড বিভিন্ন হোষ্টেল, অফিসে বিতরণ করুন । আপনার ডেলিভারি ক্লায়েনট এর কাছে কখন পৌছাবে তাস্পষ্ট করুন।খাবার ডেলিভারির দেয় এমন প্লাটফর্মে  যুক্ত হোন।অন্যদের চেয়ে আলাদা মেনুগুলো বেশি বেশি প্রচার করুন।আপনার ক্লায়েন্ট রিভিও দিতে বলবেন,প্রথম অর্ডার কিছুটা ছাড়ের ব্যাবস্থা করুন।বিভিন্ন খাবারে কম্বো প্যাক দিন। 
পরিস্কার প্লেট / থালা বাটি ,টেবিল সব কিছু পরিস্কার পরিছন্ন আছে এমন ভিডিও বা রিল বানান।আবার ফ্রি ডেলিভারিতে অর্ডার সাপ্লাই দিলে আপনার ক্লিয়েন্ট খুব খুশি হবে সেজন্য ফ্রি ডেলিভারির ব্যাবস্থা করুন।প্রতিদিন তাজা উপকরন দিয়ে রান্না করুন,কোন প্রকার ক্যামিকেল ব্যাবহার করবেন না।আরো বেশি বেশি করে প্রচার করুন ঘোরয়া রান্নার আসল স্বাদ ,আবার আর্ডার অনুযায়ি বিশেষ মেনু তৈরী করুন ।

অফলাইন বা অনলাইনে টিউশন

আপনার টিউশানি করার মত দক্ষতা থকে তাহলে টিউশানি করে আপনি ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারেন।বর্তমান সময়ে শিক্ষা গ্রহনের বড় পরিবর্তন হয়েছে ।আগের সময়ে শুধুমাত্র অফলাইনে টিউশনের উপর নির্ভর করতে হতো , বর্তমানে অনলাইনে টিউশন এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । এই দুলাইনে শিক্ষার্তিরা এখন নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ি শিক্ষা গ্রহন করছে ।
অফলাইনে শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষক মুখোমুখি ক্লাস করে থাকে।অফলাইনে সরাসরি শেখার সন্দর পরিবেশ থাকে ইহাতে শিক্ষার্থীর কোন সমস্যার পড়লে তৎখানিক সন্দেহ দূর করতে পারে ,শিক্ষার্থীর মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয় ।অনলাইনে শিক্ষার্থী যাতায়াতের ঝামেলা থাকে না,দেশের যে কোন জায়গা থেকে ভাল শিক্ষক পাওয়া যায় ,ক্লাস রের্কড করে পরে দেখা যায়,আধিনক টিলস ব্যাবহার করে শিক্ষার্থীদের ভাল শিক্ষা প্রদান করে যায় ।ব্যাস্ত শিক্ষাথীরা নিকের সুবিধামত শিক্ষা গ্রহন করতে পারে।আপনার শিখার ধরন,লক্ষ্য,সময় এবং আপনার বাজেটে উপর নির্ভর করে অফলাইন বা অফলাইনে এই দুই ধরনের টিউশন হতে পারে আপনার জীবনের গুরুত্বপুর্ন সিধান্ত।তবে সবচেয়ে হলো সঠিক শিক্ষক নির্বাচন ও নিয়মিত অনুশীলন ।




মানসিকতার প্রস্তুতি

কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়।ফ্রি আয় করতে হলে আপনাকে আব্যশই ধৈর্য ধারন করতে হবে ।শেখার ইচ্ছ থাকতে হবে।নিয়মিত কাজ করতে হবে । হতাশা হলে কাজ করতে পারবেন না। আপনাকে সমাজে ভাল ভাবে টিকে থকতে হলে ইনকাম করতেই হবে।অনেক কয়েকদিন কাজ করেই আশা করে টাকা পাব তবে এটা কিন্তু ভুল ধারনা।সফল হতে হলে সময় ,নিয়ম এবং ধারা বাহিকতা প্রয়োজন।তবে আপনাকে প্রতারনা থেকে বাঁচতে হবে।যেমন -অনেকে বলবে রেফার করলে টাকা, অল্প কাজে বেশি ইনকাম,টাকা দিলে ভবিষৎ আয় এই ধরনের কোন লোভে পড়বেন না
।তবে সঠিক প্লাটফর্ম,রিভিউ,ও তথ্য দেখে কাজ শুরু করতে হবে।অনলাইনে ইনকাম করা অসাধ্য কিছু নয় ।আপনাকে অলসতা ও শর্টকাট চিন্তা ধারআ থাকলে সফলতা পাওয়া কঠিন। দিনে অন্তত ২ ঘন্টা নিজের স্কিল ও কাজ শেখার জন্য সময় দিতে হবে।আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে আমি পারব একদিন অবশ্যই ইনকাম হবে ।

শেষকথা

ফ্রিতে ইনকাম করা সম্ভাব যদি আপনি পরিশ্রম করেন তাহলে সফল হবেন।তবে এর জন্য সময় ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।কাজ শুরু করার পর তাড়াহুড়া করলে চলবে না। আপনাকে ধৈর্য ধারন করতে হবে।
কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়।বর্তমান যুগ অনলাইন বা ডিজিটাল যুগ।অনলাইনের মাধ্যমে কাজ করার হাজারো সুযোগ আছে ।আপনি ফ্রিতে ইনকাম করতে চাইলে উপরের যে কোন কাজের একটি বিষয় বেছে নিতে পারেন ।






এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪

Md. Abdus Salam
Md. Abdus Salam
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও রাফিদ আইটির অ্যাডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।