আমি কেন রসুন খাব।
হাঁ আমি শুধু একাই রসুন খাব না , আপনকেও রসুন খেতে হবে ।কেননা রসুনের মধ্যে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।এই জন্য রসুনকে প্রাঋক্তট এন্টাবায়োটিক বলা হয় ।রসুন আমদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান ।রসুনের মধ্যে এমন কতগুলো ভিটামিন আছে যা শরীরের বিভিন্ন স্বাস্থ উপকারিতার সহায়ক ভুমিকা পালন করে ।
সূচি পত্র
রসুনের চাষ পদ্ধতি
রসুন বপনের ১৫ দিন আগে ভাল ভাবে চাষ করে আগাছা দমন করতে হবে ।খায়াল রাখতে হবে যেন জমিতে কোন প্রকার আগাছা না জন্মায় । এবং মাটি যেন খুবই উর্বর হয় । রসুন চাষের জন্য দোয়াঁশ ও বেলে দোয়াঁশ মাটি সব চাইতে ভাল ।রসুনের জমিতে পানি নিষ্কাসনের ব্যাবস্থা থাকতে হবে ।জমিতে পানি ধরে থাকলে রসুন পচে যাবে ।
রসুনে সার প্রয়োগঃ
রসুন চাষের জন্য জৈব ও রাসানিক উভয় প্রকার সার প্রয়োগ করতে হবে ।প্রতি বিঘায় জমির জন্য গোবর সার ৭০০ কেজি ,ইউরিয়া ৪০ কেজি , T S P ৩০ কেজি , এম ও পি ১০০ কেজি, জিপাসাম ১৪ কেজি ,জিংক সালফেট ৩ কেজি ,বোরন ১ কেজি ৫০০ গ্রাম ।তবে সব সার একসংগে প্রয়োগ করা যাবেনা ।
জমি তৈরীর সময় গোবর ,টি এস পি,জিংক সালফেট ,বোরন , জিপসাম সমুদয় সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে ।রসুন লাগানোর ৩০ দিন ও ৬০ দিন বাঁকি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে ।
রসুনের জাত ও উৎপাদনঃ
বাংলাদেশ সকারের অনুমোদিত জাত গুলো হলো ্বারি -২এর বয়স কাল ১৪৫থেকে ১৫৫দিন ।এই জাতে বিঘা প্রতি উৎপাদন প্রায় ১২০০ হতে ১৩০০ কেজি হয়ে থাকে
বাউ রসুন -১;বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই জাত বের করেছে ।এই রসুনটি মুলতঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি ।
বাউরসুন-২ঃ এই রসুনটি বাংলাদেশ কৃষি বিদ্যালয়ের উদ্ভাবনী জাত ।তাছারা ইটালি ,দেশিজাত রসুন চাষ হয়ে থাকে ।
মসলা হিসাবে রসুনঃ</>
রসুন আমদের দৈনন্দিন খাবারের একটি বিশেষ উপাদান ।বিশ্বে প্রায় সকল দেশে রসুনের চাষ হয়ে থাকে ।খ্যাদদেরাতে স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে রসুন ব্যাবহার হয় থকে ।তাছাড়া আচার তৈরিতে রসুন ব্যাবহার হয়ে থাকে ।
রসুনে উপকারিতাঃ
আমরা কেন রসুন খাব ,কারন রসুনে অনেক উপকার আছে । রসুন রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ায়। ।রসুন হ্রদরোগ ও উচ্চরক্তচাপ কমায় । কান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ।রসুনে ভিটামিন বি-১ ,বি-২ বি-৩,বি-৫ বি-৬ ও প্রচুর পরিমানে খনিজ পদার্থ আছে ।
রসুনের অপকারিতাঃ
সব জিনিষের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে , রসুনে তেমন অপকারিতা আছে ।খালি পেটে রসুন না খাওয়া ভাল ।কারন খালি পেটে রসুন খেলে বুক জ্বালাপোড়া করে ।পেটে গ্যাস সৃষ্টি হয় , বমি হয় তাই পরিমান মত রসুন খাওয়া উচিত । রান্না ছাড়া কাঁচা অবস্থায় রসুন খেলে অনেক উপকার হয় ।তবে কিছু ক্ষতির দিকও আছে তবে ক্ষতির চেয়ে লাভ বেশি ।
শেষ কথাঃ
প্রতিদিন দুই কোয়া কাচা রসুন খেলে সর্দি কমায় । রসুন খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ।
রসুন খেলে রক্তপরিষ্কার হয়,ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন হয়, সর্দি কাশি ও সংক্রামণ নিয়ন্ত্রন থাকে ।
বাংলাদেশে বর্ত্মমানে হ্রদরোধ ও ক্যান্সারের মত মরন ব্যাধি বৃদ্ধি পাছে । সেইজন্য প্রতিটি মানুষে উচিত নিয়মিত রসুন খাওয়া ।
ত
.webp)
.webp)





অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url