আমি কেন কলা খাব


 আমি কেন কলা খাব ? কলা একটি সাশ্রয়ী, সহজল্ভ্য ও পুষ্টিকর ফল। আমাদের শরীরের সুস্থকোষ তৈরীর করতে যে সব ভিটামিনের প্রয়োজন কলাতে প্রায় সবধরনের ভিটামিন রয়েছে। । কলা এমন একটি ফল যা, কাঁচা - পাকা উভয় ভাবে খাওয়া যায়। কলার পুষ্টিগুন ও উপকারিতার বর্ননা  দিয়ে শেষ করা যাবে না। ইহাতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন,খানিজ,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার রয়েছে যা আমাদের শরীরে শক্তি যোগায়। 

পোষ্ট সুচিপত্রঃ জেনে নিন কলার পুষ্টিগু

কলার পুষ্টিগুন

হজমে শক্তি যোগায়

কলা রক্ত শুন্যতা দুর করে

কলায় মনের প্রাশান্তি আনে

কিডনি রোগীদের কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

ওজন কমাতে কলার কার্যকারিতা

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়

কলা ভিটামিন ঘাটতি পূরন করে

কলা ক্যান্সার প্রতিরোধে করে

কলা ডায়রিয়ার জন্য উপযোগী

কলা খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয়

কলার অপকারিতা নিচে আলোচনা করা হল

শেষকথাঃ

কলার পুষ্টিগুন

পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কলা পাওয়া যাই।  সারা বৎসর কলা পাওয়া যাই।এবংকম বেশি সকল বয়সের মানুষ কলা খু্বই পছন্দ।  কলাতে রয়েছে নানান পুষ্টি উপাদান,একটি মাঝারি ধরেনের কলাতে প্রায় ১০৫ ক্যালরি,প্রায় ২৭গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ৩গ্রাম ও চিনি রয়েছে ১৪গ্রাম তাছাড়া কলাতে আছে ভিটামিন C, ভিটামিন B6 আরো রয়েছে পটাশিয়াম যা শরিরে জন্য একটি্গুটরুত্ব পূর্ন উপদানআমি কলা কেন খাব,কলাতে পটাশিয়ামের মত গুরুত্ব পূর্ন উপাদান থাকায় ইহা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করতে সহযোগীতা করে। আর উচ্চ রক্তচাপ থাকার কারনে হ্রদ রোগে ঝুকি বাড়ায়।ফলে যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের জন্য কলা খুবই উপকারি।কলা কখন ক্ষেতে হবে তা নিদির্ষ্ট কোন নিয়ম নেয় । তবে সকাল বেলা হালকা খাবারের পর কলা খাওয়া ভাল।

abcহজমে শক্তি যোগায়-

আমি কলা কেন খাব,কলাতে যে ফাইবার আছে যা হজম শক্তিবৃদ্ধি  ও কোষ্টকাঠিন্য দূরু করে এবং কলা পরিপাকতন্ত্রের কাজকে আগিয়ে নিতে সহযোগীতা করে।কলায় প্রচুর পরিমানে দ্রবনী ও অদ্রবনীয় ফাইবার আছে।অদ্রবনীয় ফাইবার বৃহদান্ত্র সচল রাখার ফলে মল নরম হয় এবং অতি সহজেই মল নিঃসৃত হয় বলে কোষ্টকাঠিন্য  দুর হয়পেট ব্যাথা ,গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা হলে কলা খেলে আরোগ্য লাভ করা যায়। আধাপাকা কলায় রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ তন্ত্রে যেসকল ভাল উপাকারি ব্যাকটেরিয়ার তাহা প্রিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে।প্রিবায়োটিক খাবার হয় না, তবে ইহা হজম প্রক্রিয়াকে সহযোগীতা করে। কলাতে ফাইবার থাকার করনে   খাবারের ভাঙ্গন ও পুষ্টি শোষণ ভাল্ভাবে হয়।আবার প্রিবয়োটিক শরীরে ৭০% ইমিউন শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

abcকলা রক্ত শুন্যতা দুর করে- 

আমি কেন কলা খাব.কলাতে আয়রন থাকায় রক্ত শুন্যতা দূর করে।কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতায় দেখা যায় কলাতে যে আয়রন আছে তা রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়াতে বা রক্তসল্পতা দূর করে।কলাতে ভিটামিন B6 থাকায় অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদন করতে সাহায্য করে।কলা খেলে শক্তি বাড়ে এবং কলায় প্রাকৃতিক গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও পটাশিয়াম শারিরকে দ্রত শক্তি যোগাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।কলা আয়রন সমৃদ্ধ খাবারে সাথে খেলে হজমশক্তি বাড়ায় এবং শরীরে আয়রন ভালোভাবে কাজ করে। রক্তশুন্যতা কমাতে অন্যানা আয়রণ সমৃদ্ধ খাবারে সাথে কলা খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।কলা সাথা আপনি খেজুর,দই/দুধ, বাদাম, পালঙ্গ শাক, ডাল ,কলিজা ইত্যাদির সাথে কলা মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায় এবং রক্তশুন্যতা দূর হয়।

কলায় মনের প্রাশান্তি আনে-

আমি কেন কল খাব?  কলা খেলে মনের প্রশান্তি আনে। কলাতে বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে একটি হলো ট্রিপটোফ্যান ইহা মস্তিষ্কে সেরোটোনিন হরমোনের উৎপাদন বাড়ায়।এই সেরোটোনিন হরমোন বিষন্নতা দুরকরে ও মেজাজ ভাল রাখে সহয়তা করে।আবার কলাতে ম্যাগনেশিয়াম থাকায় ঘুমের জন্য খুবই কার্যকারি ভূমিকা পালন করে।কলাতে ভিটামিন B6 থাকায় সেরোটোনিন ও ডোপামিন তৈরী হয় এবং কলাতে স্ট্রেস কমাতে ও মন ভাল রাখতে সাহায্য করে।কলাতে অ্যান্ট্রিঅক্সিডেন্ট থাকায় আমাদের শরীরে শেল গুলো সুস্থ রাখে ফলে ক্লান্ত দূর হয়।আবার কলাতে শর্করা থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায় ফলে নিজেকে সতেজ অনুভুতি হয়। এই সব মিলে কলায় প্রশান্তি দূরকরে।কলা খালি পেটে খাবেননা,সকালের নাস্তার পর কলা খাওয়া ভাল।

কিডনি রোগীদের কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

কিডনি রোগীরা কলা খেতে পারবে কিনা তা নির্ভর করে কিডনির অবস্থা, রোগীর পটাশিয়াম লেভেল,ইউরিয়া এসবের ওপর।তবে কলায় পটাশিয়ামের মত গুরুত্বপূর্ন উপাদান থাকায় এটি কিডনির কার্যকারিতা বাড়ায় ফলে কিডনির রোগের ঝুকি কমায়।নিয়মিত কলা খেলে পটাশিয়ামের স্তর বজায় রাখে যাহা কিডনির স্বাস্থকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে।কলায় ভিটামিন-B6 থাকায় নার্ভ ও হজম প্রক্রিয়া ভাল ভাবে সম্পর্ন হয়।তবে কিডনির রোগীদের কলায় কিছু অপকারিতা রয়েছে।কলায় পটেশিয়ামে পরিমান বেশি,সেইজন্য যাদের কিডনি দূর্বল, তারা রক্তে থেকে অতিরিক্ত পটাশিয়াম বের করতে পারে না।এই জন্য কিডনির রোগীদের কলা না খাওয়া ভাল।উচ্চ পরিমান পটাশিয়াম ফলে আপনার হ্রদস্পন্দন কমে যাবে,বুক ধড়পড়,পেশি দূর্বল এমনকি জীবনহানির ঝুকি বেড়ে যায়।এইজন্য কিডনি রোগীদের উচ্চমাত্রায় পটাশয়াম যুক্ত খাবার নিষেধ করেছেন।

ওজন কমাতে কলার কার্যকারিতা

আমি কেন কলা খাব ? আম্যরা জানি যাদের ওজন বেশি তাদের ওজন কমাতে কলা খুবই কার্যকারি।কলার মধ্যে ফাইবার বেশি থাকায় কলা অতিরিক্ত খিদে কমায়।ইহার মধ্যে সুগার বেশী আছে , এইজন্য কাজের আগে কলা খাওয়া ভাল। কলা মিষ্টির  বিকল্প হিসাবে কাজ করে। অনান্য ফলের তুলনায় কলাতে ক্যালরি পরিমান বেশি থাকয় আপনি দিনে একাধিক কলা খেয়ে্ন আপনার শরীরে ক্যালরি বাড়াতে পারেন।তবে আমাদের মনে রাখা উচিত, বেশি পাকা ও নরম কলায় সুগারের পরিমান বেশি ।ওজন কমানর জন্য আপনি কলা যেভাবে খাবেন - সকালের নাস্তার সঙ্গে একটি মাঝারি কলা  খেতে পারেন।কেননা  দিনে একটি মাঝারি কলা আপনার জন্য  যথেষ্ট। দই ,কলা, যবের ছাতু এক সঙ্গে আপনি পেট ভরে খেতে পারেন। তবে কলাতে  সুগারের পরিমান বেশি থাকায় চিনি দিয়ে খাবেন না। আবার যাদের ওজন কম তারা ওজন বাড়াতে চাইলে কলা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে ওজন বাড়েতে পারে। কলাতে ক্যালরির পরিমান বেশি থাকায় শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়

আমি কেন কলা খাব? আমরা জানি কলা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াই ।কলায় রয়েছে ভিটামিন বি-৬ ও ম্যাগনেসিয়াম যাহা স্নায়ু কোষকে সক্রিয় রাখে।ফলে কলায় স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।এইজন্য যারা মানসিক শ্রমে নিয়োজিত ব্যাক্তিদের জন্য কলা খুবই উপকারি। প্রাকৃতিক ভাবেই কলায় বেশি পরিমান গ্লুকোজ রয়েছে বলে ইহা দ্রুত হজম করতে সহযোগীতা করে।আর এইজন্যে মস্তিষ্কে দ্রুত শক্তি পৌছে দেয়। কলাতে ডোপামিন (ডোপামিন হলো আমাদের মস্তিষ্কের একটি গুরুত্বপূর্ন স্নায়ুবাহক রাসায়নিক)যা মানুষে মনোভাব, আনন্দ,মনোযোগ, সদ্ধান্ত নেওয়া ইত্যাদির নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।যখন আমাদের কোন ভালো লাগে বা আনন্দ পায় তখন মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসরণ করে।আবার পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম এই দুটি খনিজ থাকায় আমাদের মুড স্থিতিশিল রাখে,মস্তিষ্কের ক্লান্ত কমায়।

কলা ভিটামিনের ঘাটতি পূরন করো

আমি কেন কলা খাব ? আমরা জানি মানুষ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিশ্রমের ফলে ভিটামিনের যে ঘাটতি হয় তা পুরন করতে কলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।কলা মানুষের শরীরে ভিটামিন B কমোপ্লেক্সে এর যোগান দেয়।রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রন,হিমোগ্লোবিন তৈরী করতে সাহায্য করে।শরীরে ভিটামিন "বি" এর অভাব হলে ক্লান্তি, বিরক্ত,রক্তস্বল্পতা কমাতে সহয়তা করে।এছাড়া কলা আমাদর দৈনন্দিন চাহিদা ১৫% ভিটামিন "সি" পুরন করে।ভিটামিন "সি"রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,ত্বক ভাল রাখে।ভিটামিন "সি" শরীরের দূর্বলতা, সংক্রমন প্রবণতা কমাতে সহয়তা করে।কলা শরীরের সুস্থ কোষ তৈরীর জন্য প্রয়োজনিয় ভিটামিন "বি৬"চাহিদার ৫% পূরণ করে।কলা শরীরের ভিটামিন "এ"হিসাবে কাজ করে,ভিটামিন "এ" এর অভাবে রাতকানা,চোখ শুষ্ক ইত্যাদি রোগ হয়।কলা  এই সব রোগ প্রতিরোধ করে।কলায় রয়েছে ভিটামিন "বি" ভিটামিন "সি" ও সামান্য পরিমান ভিটামিন A.

কলা ক্যান্সার প্রতিরোধে করে

কলায় থাকায় অ্যান্টিউঅক্সিডেন্ট শরীরে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাধা প্রদান করে।কলায় ডোপামিন,ভিটামিন "সি",ক্যারোটিনোয়েড বিদ্যমান থাকায় শরীরে ফ্রি- র‍্যাডিক্যাল কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কেননা ফ্রি র‍্যাডিক্যাল কান্সারের কোষ তৈরী করে থাকে।আবার কলাতে উচ্চমাত্রাই ফাইবার আছে। যা আমাদের কোষ্টিকাঠিন্য কমায়,হজম নালীতে ক্ষতিকারক পদার্থ জমতে দেয়না,যার ফলে ক্যান্সারের ঝুকি কমায়'।কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতায় বলা যায় কলাতে যে পরিমান রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ আছে তা  ক্যান্সার বিরোধী ব্যাক্টোরিয়া বাড়ায়।কলাতে আছে বিউটোরেট নামের এক ধরনের অ্যাসিড, যা ক্যান্সার বৃদ্ধিকে অতি সহজেই দমন করতে পারে।

কলা ডায়রিয়ার জন্য উপযোগী

মানুষের ডায়রিয়া হলে পাতলা পায়খানা হয়।কলাতে আছে 'পেকটিন"নামক এক দ্রবনীয় ফাউবার যাহা মলকে ঘন করতে সাহায্য করে,পানি শোষন করে।যার ফলেডায়রিয়া দ্রুত নিয়ন্ত্রন হয়।আবার ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় লবণ বের হয়ে যাই।কলাতে পটাশিয়াম থাকায় শরীরের ইলেকট্রোলাইট ঠিক রাখে,শরীরের দূর্বলতা কমায়,হাটের স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখে।ডায়রিয়া হলে পেট খুবই সংবেদনশীল হয়ে থাকে।এই সময় কলা খেলে সহজেই হজম হয় ।কেননা কলা একটি নরম,আঁশহীন এবং সহজেই হজম হয় এমন খাবার।ডায়রিয়া হলে কলা যেভাবে খাবেন-কাঁচা কলা ভাতের সাথে সিদ্ধ করে খাবেন।পাঁকা কলা অবশ্যই খাবেন দিনে একটি বা দুইটি খেতে পারেন।

কলা খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয়

কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতায় আমার আবার বলতে পারি কলাতে রয়েছ প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক চিনি,এই চিনি খুব দ্রুত রক্তে মিশ্রিত হয়, ফলে তৎক্ষানিক শক্তি পাওয়া যায়।এই জন্য খেলাধুলার আগে বা পরে একটি কলা খেলে খুব তাড়াতাড়ি এনার্জি পাওয়া যায়।আবার কলায় আছে কার্বোহাইড্রেট,  এইজন্য কলা খাবার পর এই কার্বহাইড্রেট কলাকে ধীরে ধীরে ভেঙ্গে শরীরকে দীর্ঘসময় ধরে শক্তি যোগায়।সেইজন্য কলা খেলে দীর্ঘসময় ধরে এনার্জি পাওয়া যায়।কলায় যে ভিটামিন "বি৬" আছে তা শক্তির বিপাক বাড়ায়।ইহার ফলে খ্যাদকে শক্তিতে রুপান্তরিত করে এবং এই ভিটামিন মস্তিষ্ক অ নার্ভের কার্যকারিতা সক্রিয় রাখে।এইজন্য এনার্জি লেভেল ভাল থাকে।আবার কলাতে রয়েছে ফাইবার যা শরীরের চিনির শোষণকে নিয়ন্ত্রন করে।

কলার অপকারিতা নিচে আলোচনা করা হল-

কলা পুষ্টিগুনে ভরপুর আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে কলা খেলে উপকারের চাইতে অপকার বেশি হতে পারে।কলায় উচ্চমাত্রায় ক্যালরী আছে। এই জন্য দিনে ১টি বা ২টির বেশি কলা খাওয়া ঠিক নয়। বেশি বেশি কলা খেলে আপনার ওজন বাড়তে পারে। কলায় পটাশিয়াম বেশি থাকে যা রক্তচাপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।এই জন্য যাদের ব্লাড পেসার আছে তাদের জন্য কলা ক্ষতিকর হতে পার।যাদের মাইগ্রেনে সমস্যা আছে তারা যদি কলা খায় তাহলে মাথাব্যাথা বাড়তে পারে।কলায় প্রাকৃতিক চিনি বেশি থাকায় ডায়রিয়া রোগীর কলা খেলে শরীরে শর্করার পরিমান বাড়তে পারে।আবার কলা খেলে ঘুম ঘুম ভাব বা অলসতা আসতে পারে।

শেষকথাঃ

কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বলতে গেলে আমি বলব কলা শুধমাত্র একটি পুষ্টিমান ফল নয় এর মধ্যে রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ উপকারিতা।একটি কলায় রয়েছে ভিটামিন বি-৬ ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগ্নেশিয়াম,ফাইবার ও অ্যান্টীঅক্সিডেন্ট যা আমাদের জন্য খুবই উপকারি।কলা পুষ্টিমান ফল, তবে খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্ক থাকার প্রয়োজন। যাদের কিডনি রোগ,ডায়াবেটিস আছে তাদের কলা খাওয়ার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরমার্শ নেওয়া উচিত ।সর্বশেষ কথায় আমি বলতে পারি প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া আমাদের স্বস্থের জন্য জরুরী।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪

Md. Abdus Salam
Md. Abdus Salam
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও রাফিদ আইটির অ্যাডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।