rosuner পুস্তি


১।রসুুনে পুষ্টিগুন ও উপদান সমূহ

খ্যাদের স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে রসুল ব্যবহার হয় না। রসুন হছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধে ভরপুর একটি উপাদান। রসুন প্রতিদিনের আমাদের খাবারের একটি অংশ বিশেষ। রসুনের মধ্যেঅ্যালিসিন,অ্যালন,ডয়ালিল,সালফাইড,উপদান থাকায় এটি ঔষুধ হিসাবে ব্যবহার হয়ে থাকে। আবার ভিটামিন C .B1,B2,B3,B5B6 ও B9 রয়েছে।খনিজ সম্পদের ম্যধে ম্যাঙ্গানিজ।সেলেনিয়াম,ক্যালসিয়াম,জিং,ফসফরাস ও পটাসিয়াম আছে। তাছাড়া রসুন হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়েটিক যা শরিরের ক্ষতিকারক জিবানু ধ্বংস করে।রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে,চুল পড়া কমায়, ব্রন ও ত্বকের সংক্রামন রোধ করে

২।রসুন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে 

রসুনে অ্যালিসিন উপদান থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।আমরা যখন রসুন চিবিয়ে খায় তখন অ্যালিসিন তৈরী হয়। তখন এই অ্যালিসিন উপদান ব্যাক্টোরিয়া ,ভাইরাস ছত্রাকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কার্যকারি ভুমিকা পালন করে।আপনি যদি নিয়মিত রসুন খান তাহলে আপনা সর্দি, জ্বর ইত্যাদি রোগের ঝুকি অনেকটা কমে যায়। রসুন খেলে শ্বেত রক্তকনিকা সক্রিয় করে, রসুনে অ্যান্টঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে ফলে শরীরে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল কমিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

৩।রসুন হ্রদরোধ প্রতিরোধ করে

রসুন হ্রদরোগ প্রতিরোধ কারি উপদান হিসাবে কাজ করে। রসুনের মধ্যে বিশেষ কিছু উপদান আছে যা আমাদের হ্রদপিন্ড ও রক্তকনিকাকে রক্ষা করে। রসুন রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে  সাহায্য করে। রসুনের মধ্যে যে অ্যালিসিন উপদান আছে তা রক্তের উচ্চ রক্তচাপ কমায়, ধমনীর ভিতরে প্রদাহ কমায়, রসুন রক্তকে পাতলা করতে সাহায্য কর ইত্যাদি কারনে রসুন হ্রদ রোগের প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। রসুন খাওয়া নিয়ম- ১ /২ টি রসুনের কোয়া  সকাল বেলা খালি পেটে ৫/১০ মিনিট চিবিয়ে খাবেন।


৪।রসুন ডাআয়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করে


ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের একমাত্র সহজ উপায় হলো এর প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রন রাখা।নিয়মিত রসুন খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রন রাখে।রসুন ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায় ফলে কোষে অতি সহজে গ্লুকোজ গ্রহন করে এবং লিভারের গ্লুকোজ উৎপাদন কমিয়ে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রন করে। ডায়াবেটিকস রোগীদের হ্রদরোগের ঝুকি বেশি থাকায় রসুন তা সুরক্ষা দেয়।আবার রসুন বেশি খেলে সুগার হঠাৎ করে কমে যেতে পারে।ডায়াবেটিকস রোগিদের রসুন খাবার নিয়ম- আপনি কাঁচা রসুন চিবিয়ে, রসুন ভিজিয়ে সকাল বেলা খালি পেটে বা রান্নার সাথে রসুন খেতে পারেন।

৫।রসুন হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

রসুন হজমশক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে থাকা সক্রিয় উপাদানঅ্যানিসিলিন হজমকারী এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি করে। এর ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং পুরো হজম প্রক্রিয়া মসৃণ ও কার্যকর হয়ে ওঠে। রসুন অন্ত্রে জমে থাকা অতিরিক্ত গ্যাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কমাতে সাহায্য করে, পাশাপাশি উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে সক্রিয়ভাবে কাজ করার সুযোগ করে দেয়। এর ফলস্বরূপ মলত্যাগ সহজ হয়, অন্ত্রের প্রদাহ কমে এবং পেটকে শান্ত ও সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

৬।রসুন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে 

রসুন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে গবেষণায় জানা যায়।ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৫৮ সালে দেখান যে রসুন শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।এই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের ক্ষমতাই রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে বাড়ায়।ফলে শরীর নানা জটিল রোগ, বিশেষ করে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

রসুনে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যাডিক্যাল নষ্ট করে।এর ফলে কোষের ক্ষতি কমে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস পায়।রসুন লিভারের ডিটক্স এনজাইম সক্রিয় করে শরীর থেকে ক্ষতিকারক উপাদান বের করে দেয়।নিয়মিত রসুন খেলে পাকস্থলি, খাদ্যনালি, প্রোস্টেট ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমতে পারে।

৭।কোন পদ্ধতিতে রসুন চাষ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়

রসুন চাষের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মাটি হলো দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি। এই ধরনের মাটিতে পানি সহজে জমে থাকে না, ফলে জলাবদ্ধতার সমস্যা হয় না। একই সঙ্গে এই মাটি প্রয়োজন অনুযায়ী আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে। দোআঁশ মাটির ঝুরঝুরে গঠন রসুনের শিকড় ও কোয়ার ভালোভাবে বাড়তে সাহায্য করে।

অতিরিক্ত কাদাযুক্ত বা জলাবদ্ধ মাটিতে রসুন চাষ উপযোগী নয়। এ ধরনের মাটিতে পানি জমে থাকায় রসুন পচে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। রসুনের ভালো বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে মাটির pH মাত্রা ৬ থেকে ৭ এর মধ্যে থাকা সবচেয়ে উপযোগী। সঠিক pH থাকলে রসুন সুস্থভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ফলন ভালো হয়।

৮।রসুনের জমি প্রস্তুত করন

সাধারণত ৫–৬ বার চাষ ও মই দিলে মাটি ঝুরঝুরে হয়, যা রসুনের কোয়া বৃদ্ধির জন্য উপকারী। জমির আগাছা ভাল্ভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। শেষ চাষের সময় প্রতি শতকে প্রায় ৮–১০ কেজি  গোবর বা কম্পোস্ট সার জমিতে মিশিয়ে দিতে হবে। এতে মাটির উর্বরতা বাড়ে এবং কোয়া বড় হয়। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার ব্যবহার করা যেতে পারে।

 রসুন চাষের জন্য সাধারণত বেড পদ্ধতি সবচেয়ে ভালো। জমিতে ৩–৪ ফুট চওড়া ও প্রয়োজন অনুযায়ী লম্বা বেড তৈরি করতে হবে। বেডের মাঝখানে নালা রাখলে অতিরিক্ত পানি সহজে বের হয়ে যাবে। সবশেষে জমি সমান করে বেড প্রস্তুত করার পর রসুনের কোয়া রোপণের উপযোগী হয়ে যায়। ভালোভাবে জমি তৈরি করা হলে রসুনের গাছ সুস্থ থাকে এবং ফলনও বেশি হয়।

৯'রসুনের বীজ নির্বাচন ও রোপনের সময়

রসুন চাষে ভালো বীজ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বীজ সবসময় সুস্থ, রোগমুক্ত ও মাঝারি থেকে বড় আকারের কোয়া নির্বাচন করা উচিত।রসুনের ছোট কোয়া বপন করা উচিত নয়।  সাধারণত স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ভালো জাতের রসুন বীজ হিসেবে বেশি উপযোগী, কারণ সেগুলো পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। রোপণের আগে কোয়াগুলো আলাদা করে রোদে হালকা শুকিয়ে নিয়ে ছত্রাকনাশক ব্যবহার করলে বীজের মান আরও ভালো থাকে।

 আমাদের দেশে সাধারণত শীতকালীন ফসল হিসেবে রসুন চাষ করা হয়। আশ্বিন থেকে কার্তিক মাস (অক্টোবর–নভেম্বর) রসুন রোপণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এই সময় আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল ও শুষ্ক থাকে, যা রসুনের কন্দ গঠনের জন্য সহায়ক। সময়মতো রোপণ করলে গাছ ভালোভাবে বৃদ্ধি পায় এবং রোগবালাইয়ের আক্রমণও কম হয়। দেরিতে রোপণ করলে কন্দ ছোট হতে পারে এবং ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

১০। রসুনের জমিতে সার প্রয়োগের নিয়ম

রসুন চাষের জন্য জৈব ও রাসানিক উভয় প্রকার সার প্রয়োগ করতে হবে ।প্রতি বিঘায় জমির জন্য গোবর সার ৭০০ কেজি ,ইউরিয়া ৪০ কেজি ,  T S P ৩০ কেজি , এম ও পি ১০০ কেজি, জিপাসাম ১৪ কেজি ,জিংক সালফেট ৩ কেজি ,বোরন ১ কেজি ৫০০ গ্রাম। তবে মনে রাখতে হবে সব সার একসংগে প্রয়োগ করা যাবেনা ।

জমি তৈরীর সময় গোবর ,টি এস পি,জিংক সালফেট ,বোরন , জিপসাম সমুদয় সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে ।রসুন লাগানোর ৩০ দিন ও ৬০ দিন বাঁকি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে ।

১১।সেচ ও আগাছা দমন

সেচ ও আগাছা দমনরসুন চাষে সঠিক সেচ ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জমিতে রসুন রোপণের পর হালকা সেচ দিতে হয়, যাতে মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকে এবং কোয়া দ্রুত অঙ্কুরোদগম করতে পারে। রসুন বেশি পানি সহ্য করতে পারে না, তাই জমিতে পানি জমে  না থাকে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারনভাবে  ১০–১৫ দিন পরপর মাটির অবস্থা বুঝে সেচ দেওয়া ভালো। গাছ বড় হওয়ার সময় এবং কোয়া গঠনের পর্যায়ে পর্যাপ্ত সেচ দিলে ফলন ভালো হয়। তবে ফসল তোলার ১৫–২০ দিন আগে সেচ বন্ধ করলে রসুন ভালোভাবে পরিপক্ব হয় এবং সংরক্ষণ ক্ষমতাও বাড়ে।

রসুনের জমিতে আগাছা দমন করা না হলে গাছের খাদ্য ও পানির ঘাটতি দেখা দেয়, ফলে ফলন কমে যায়। তাই নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করা জরুরি। সাধারণত রোপণের ২০–২৫ দিন পর প্রথম নিড়ানি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ২–৩ বার নিড়ানি দেওয়া হয়। হাত দিয়ে বা খুরপি দিয়ে আগাছা তুলে ফেললে গাছের ক্ষতি কম হয়। পাশাপাশি নিড়ানি দেওয়ার সময় মাটি একটু আলগা করে দিলে গাছের শিকড় ভালোভাবে বাড়তে পারে। পরিষ্কার জমিতে রসুন গাছ সুস্থ থাকে এবং উৎপাদনও সন্তোষজনক হয়।

১২। রসুনের রোগ ও পকামাকড় দমন

রসুনের রোগ দমনের জন্য প্রথমেই ভালো মানের ও রোগমুক্ত বীজ নির্বাচন করা খুব জরুরি। জমিতে পানি যেন না জমে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, কারণ জলাবদ্ধতা রসুনে পচন ও ছত্রাকজনিত রোগ বাড়ায়। রসুনের জমি তৈরির সময় ভালোভাবে চাষ ও রোদে শুকানো মাটি ব্যবহার করলে অনেক রোগ স্বাভাবিকভাবেই দমন হয়।

রোগ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। ছত্রাকজনিত রোগ দমনের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ম্যাঙ্কোজেব,কার্বেনডাজিম,কপার অক্সক্লোরাইড সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি জমিতে আগাছা পরিষ্কার রাখা ও আক্রান্ত গাছ তুলে নষ্ট করা উচিত, যাতে রোগ ছড়াতে না পারে। সুষম সার ব্যবহার ও নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করলে রসুন গাছ সুস্থ থাকে এবং রোগের আক্রমণ অনেকাংশে কমে যায়।

রসুন সংগ্রহ ও সংরক্ষন পদ্ধতি

রসুন সংগ্রহ করার সময় হলো যখন গাছের পাতা হলুদ হয়ে মাটির দিকে নুয়ে পড়ে। এই সময় গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে সাবধানে রসুন তুলে নিতে হয়, যাতে কোয়া বা খোসা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সংগ্রহের পর রসুন সরাসরি রোদে না রেখে হালকা ছায়াযুক্ত ও বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ৭–১০ দিন শুকিয়ে নিতে হবে। এতে রসুনের খোসা শক্ত হয় এবং ভেতরের আর্দ্রতা কমে গিয়ে দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

শুকানো শেষ হলে রসুনের শুকনো পাতা ও শিকড় কেটে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর রসুন ঠান্ডা, শুষ্ক ও অন্ধকার স্থানে সংরক্ষণ করা উত্তম। বাঁশের ঝুড়ি, জালের ব্যাগ বা বাতাস চলাচল করে এমন পাত্রে রাখলে রসুন সহজে নষ্ট হয় না। খেয়াল রাখতে হবে যেন সংরক্ষণস্থলে আর্দ্রতা বেশি না থাকে, কারণ অতিরিক্ত আর্দ্রতায় রসুন পচে যেতে পারে বা অঙ্কুরিত হয়ে যেতে পারে।

শেষকথা

রসুন শুধু একটি মসলা নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক ওষুধ ও লাভজনক ফসল। নিয়মিত রসুন খেলে শরীর সুস্থ থাকে এবং নানা রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। পাশাপাশি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রসুন চাষ করলে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারেন।

রসুন নিঃসন্দেহে প্রাকৃতিক একটি অসাধারন উপহার যা আল্লাহপাক আমাদেরকে দিয়েছেন তাই স্বাস্থ্য রক্ষা ও আর্থিক উন্নয়নের জন্য আমাদের রসুন খাওয়া ও রসুন চাষ—দুটিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪

Md. Abdus Salam
Md. Abdus Salam
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও রাফিদ আইটির অ্যাডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।